উপাচার্য ও উপ-উপাচার্যদের পদত্যাগ দাবিতে চবি ছাত্রদলের অবস্থান কর্মসূচি
নিয়োগে স্বজনপ্রীতি ও অনিয়মের অভিযোগে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) উপাচার্য এবং দুই উপ-উপাচার্যের পদত্যাগ দাবিতে প্রশাসনিক ভবনের সামনে অবস্থান কর্মসূচি পালন করছে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল।আজ বৃহস্পতিবার সকাল ১০টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের প্রধান ফটকের সামনে এই কর্মসূচি শুরু হয়। এ কারণে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক কামাল উদ্দিন শুরুতে প্রশাসনিক ভবনে প্রবেশ করতে পারেননি। পরে তিনি অন্য একটি ফটক দিয়ে ভবনে প্রবেশ করেন।অবস্থান কর্মসূচি চলাকালে ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা 'প্রশাসনের...
নিয়োগে স্বজনপ্রীতি ও অনিয়মের অভিযোগে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) উপাচার্য এবং দুই উপ-উপাচার্যের পদত্যাগ দাবিতে প্রশাসনিক ভবনের সামনে অবস্থান কর্মসূচি পালন করছে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল।
আজ বৃহস্পতিবার সকাল ১০টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের প্রধান ফটকের সামনে এই কর্মসূচি শুরু হয়। এ কারণে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক কামাল উদ্দিন শুরুতে প্রশাসনিক ভবনে প্রবেশ করতে পারেননি। পরে তিনি অন্য একটি ফটক দিয়ে ভবনে প্রবেশ করেন।
অবস্থান কর্মসূচি চলাকালে ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা 'প্রশাসনের দালালেরা হুঁশিয়ার সাবধান', 'শিক্ষার নামে বৈষম্য মানি না মানব না', 'নিয়োগের নামে বাণিজ্য বন্ধ করো' এবং 'প্রশাসনের পদত্যাগ চাই' বলে স্লোগান দেন।
দুপুর ১টার দিকে উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক কামাল উদ্দিন প্রধান ফটক দিয়ে ভবনে প্রবেশের চেষ্টা করলে আন্দোলনকারীরা তাকে বাধা দেন। পরে তিনি বিকল্প পথে ভবনে ঢোকেন। এ বিষয়ে অধ্যাপক কামাল উদ্দিন বলেন, 'অফিসিয়াল কাজের জন্য আমাকে ভবনে যেতে হতো। প্রধান ফটকে বাধার কারণে আমি অন্য গেট দিয়ে ঢুকেছি।'
কর্মসূচিতে চবি ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক আবদুল্লাহ আল নোমান অভিযোগ করেন, গত দেড় বছরে নিয়োগের ক্ষেত্রে দলীয় ও আঞ্চলিক বিবেচনা প্রাধান্য পেয়েছে। তিনি বলেন, 'অবিলম্বে সব অবৈধ নিয়োগ বাতিল করতে হবে। ভিসি, প্রো-ভিসি ও রেজিস্ট্রারকে পদত্যাগ করতে হবে। অন্যথায় আমরা কঠোর আন্দোলনে যেতে বাধ্য হব। এই প্রশাসনের কোনো লজ্জা বা জবাবদিহি নেই।'
সাংগঠনিক সম্পাদক সাজ্জাদ হোসেন হৃদয় অভিযোগ করেন, যোগ্য প্রার্থীদের বাদ দিয়ে উপ-উপাচার্যের মেয়েকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, আমরা মনে করি, ক্ষমতার অপপ্রয়োগ করে এই নিয়োগ হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে অবশ্যই নিয়োগপ্রক্রিয়া সবার সামনে প্রকাশ করতে হবে।