মহানায়িকা সুচিত্রা সেনের দ্বাদশ প্রয়াণ দিবস
কিংবদন্তি চলচ্চিত্র অভিনেত্রী সুচিত্রা সেনের দ্বাদশ প্রয়াণ দিবস উপলক্ষে তার পৈতৃক নিবাস পাবনায় নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে তাকে স্মরণ করা হয়েছে।আজ শনিবার শহরের গোপালপুর হেম সাগর লেনে অবস্থিত এই মহানায়িকার স্মৃতিবিজড়িত বাড়িতে পুষ্পস্তবক অর্পণ ও আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।সুচিত্রা সেন স্মৃতি সংরক্ষণ পরিষদের উদ্যোগে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে সর্বস্তরের মানুষ তার প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।পরবর্তীতে আলোচনা সভায় বক্তারা এই আইকনিক তারকার জীবন ও কর্মের ওপর আলোকপাত করেন।পরিষদের সভাপতি ড. রাম দুলাল ভৌমিকের সভা...
কিংবদন্তি চলচ্চিত্র অভিনেত্রী সুচিত্রা সেনের দ্বাদশ প্রয়াণ দিবস উপলক্ষে তার পৈতৃক নিবাস পাবনায় নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে তাকে স্মরণ করা হয়েছে।
আজ শনিবার শহরের গোপালপুর হেম সাগর লেনে অবস্থিত এই মহানায়িকার স্মৃতিবিজড়িত বাড়িতে পুষ্পস্তবক অর্পণ ও আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।
সুচিত্রা সেন স্মৃতি সংরক্ষণ পরিষদের উদ্যোগে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে সর্বস্তরের মানুষ তার প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।
পরবর্তীতে আলোচনা সভায় বক্তারা এই আইকনিক তারকার জীবন ও কর্মের ওপর আলোকপাত করেন।
পরিষদের সভাপতি ড. রাম দুলাল ভৌমিকের সভাপতিত্বে সভায় বক্তব্য দেন পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. মো. হাবিবুল্লাহ, পাবনা প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি এ বি এম ফজলুর রহমান, নাট্যব্যক্তিত্ব ফরিদুল ইসলাম খোকন ও কৃষিবিদ জাফর সাদেক।
বক্তারা বলেন, বাংলা চলচ্চিত্রে সুচিত্রা সেনের অনবদ্য অবদান পাবনাবাসীর জন্য চিরকালই অত্যন্ত গর্বের বিষয়।
১৯৩১ সালের ৬ এপ্রিল সিরাজগঞ্জের ভাঙাবাড়ি গ্রামে জন্মগ্রহণ করা এই অভিনেত্রী শৈশব ও কৈশোর কেটেছে পাবনা শহরেই। দেশভাগের ঠিক আগে সপরিবারে ভারতে পাড়ি জমানো সুচিত্রা ১৯৫৩ থেকে ১৯৭৮ সাল পর্যন্ত বাংলা ও হিন্দি চলচ্চিত্রে দাপটের সঙ্গে অভিনয় করেছেন।
২০১৪ সালের ১৭ জানুয়ারি কলকাতায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন বাংলা চলচ্চিত্রের এই 'মহানায়িকা'।
তার মৃত্যুর পর পাবনার পৈতৃক বাড়িটি জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়, যা বর্তমানে দেশি-বিদেশি পর্যটকদের অন্যতম প্রধান আকর্ষণ।