বগুড়ার ধুনটে গণভোটের পক্ষে প্রচারণায় নামা জামায়াতে ইসলামীর নেতাকর্মীদের ওপর হামলার ঘটনায় বিএনপি নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে।

উপজেলা জামায়াতের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল করিম বাদী হয়ে গতরাতে ধুনট থানায় মামলা করেন। মামলায় বিএনপির ১৪ জন স্থানীয় নেতাকর্মীসহ অজ্ঞাতনামা আরও ৫০-৬০ জনকে আসামি করা হয়েছে।

ধুনট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আতিকুল ইসলাম মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশ অভিযান চালাচ্ছে, তবে এখন পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়নি।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, গতকাল রোববার বিকেলে এলাঙ্গী বাজার এলাকায় গণভোটের পক্ষে প্রচার চালাচ্ছিলেন জামায়াতের নেতাকর্মীরা। এ সময় বিএনপির প্রায় ২০০ নেতাকর্মী ও সমর্থক তাদের বাধা দেয়। একপর্যায়ে দেশীয় অস্ত্র নিয়ে হামলা চালানো হয়।

আব্দুল করিম দ্য ডেইলি স্টারকে বলেন, 'গতকাল বিকেল ৫টার দিকে এলাঙ্গী বাজার এলাকায় আমাদের কর্মীরা গণভোটের প্রচার চালাচ্ছিলেন। এ সময় বিএনপির স্থানীয় প্রায় ২০০ নেতাকর্মী ও সমর্থক আমাদের বাধা দেয়। তারা অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে। একপর্যায়ে তারা দেশীয় অস্ত্র ও ইটপাটকেল নিয়ে হামলা চালায়। এতে আমাদের ৭ জন নেতাকর্মী আহত হন।'

হামলায় আহতরা হলেন আইয়ুব আলী (৫০), মাসুদ রানা (৪৯), জিয়াউর রহমান (৪৫), জিয়াউর রহমান ঠান্ডু (৪৩), আবু বক্কার (৪৮), মো. সামিউল ইসলাম সনেট (৩০) ও রবিউল ইসলাম (৪৩)। আহতদের মধ্যে সামিউল ইসলাম সনেটকে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বাকিরা ধুনট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নিয়েছেন।

এ বিষয়ে ধুনট উপজেলা বিএনপির সভাপতি এ কে এম তৌহিদুল আলম মামুন বলেন, 'গতকাল যে ঘটনা ঘটেছে, তা অনাকাঙ্ক্ষিত। আমাদের দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমান যেকোনো পরিস্থিতিতে সহনশীল থাকার পরামর্শ দিয়েছেন। ভবিষ্যতে যাতে এমন ঘটনা না ঘটে, সে বিষয়ে সবাইকে সচেতন করা হচ্ছে।'